বিদেশজয়ী উওম্যান ইউনিভার্স - এ তৃতীয় গড়িয়ার রাজকন্যা অপ্সরা

20th October 2019 Views : 1123

অয়ন কুমার সাধুখাঃ

 নারী তুমি সম্মান
নারী তুমি শ্রদ্ধা
নারী তোমায় অভিনন্দন
তুমি ছাড়া সবই বৃথা  ''

      ইচ্ছে ডানায় ভর করে স্বপ্ন উড়ানের পথে পা দিলেন আমাদের দেশের গর্ব, দশের গর্ব আমাদের কলকাতার রাজকন্যা অপ্সরা গুহঠাকুরতা। শুধুমাত্র  ইচ্ছে থাকলে, আর মনে ইচ্ছা পূরনের লক্ষ থাকলে সবকিছুই সম্ভব তাঁর অন্যতম নিদর্শন তিনি, শুধু দেশ নয় বিদেশের মাটিতেও তিনিই সেরার সেরা, আমাদের গড়িয়ার মেয়ে অপ্সরা। ২০১৮ সালে পেয়েছিলেন “মিসেস ইন্ডিয়া ইউনিভার্স আর্থ” এর খেতাব। এইবছর বিশ্বজয়ের শিরোপার হাতছানি হলেও নিজের দেশকে গর্বের মাটিতে তুলে ধরেছেন তিনি।

অক্টোবরের ১৪-১৮ তারিখে সাউথ আমেরিকার ডমিনিকান রিপাবলিকে বসেছিল "মিসেস উওম্যান অফ দ্য ইউনিভার্স”এর আসর। এই প্রতিযোগিতায় তৃতীয় হয়ে নিজেকে তুলে ধরেছেন বিদেশের মাটিতে এবং ভারতে মডেলিং জগতে শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরেছেন তিনি। থেমে থাকেনি অপ্সরা। এর পাশাপাশি হয়েছেন “মিসেস ফোটোজেনিক ফেস’ এবং পেয়েছেন “মিসেস ই-ভোট” এর খেতাব।ছোটবেলা থেকেই মডেলিংয়ের নেশায় মত্ত এবং সুস্মিতা সেনের চরম ভক্ত এই অপ্সরা।

পড়াশোনার পাশাপাশি ওড়িশি নৃত্যে স্নাতকোত্তর করেন তিনি। সাউথ সিটি কলেজ থেকে মার্কেটিং নিয়ে গ্র্যাজুয়েশন এরপর কলকাতার নামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দশ বছর চাকরি। অপ্সরার বাবা প্রসেনজিৎ ও দেবশ্রী অভিনীত “দেবীবরণ” সিনেমার প্রযোজক ছিলেন। তাই ছোট থেকেই গ্ল্যামার জগতের প্রতি টান হয়তো থেকেই গিয়েছিল অপ্সরার মনে।এ ছাড়াও তিনি একজন ভারতীয় ধ্রুপদী নৃত্যের  পেশাদার শিল্পী। সেই কারণেই ইউনিভার্স এর মঞ্চে ট্যালেন্ট রাউন্ডে ক্ল্যাসিকাল ডান্স পারফর্ম করে সকলের মন জয় করেন  তিনি।

শুধুমাত্র মডেলিং নয়,  ব্যবসার জগতেও হাতেখড়ি হয়েছে অপ্সরার। বর্তমানে ইন্টারন্যাশনাল বাইসাইকেল ‘ইউনিরক্স’ এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর অপ্সরা। ‘জ্যাজ নেলস’ বলে একটি নেল স্টুডিও খুলেছেন তিনি। অপ্সরার সাফল্যের অন্যতম অংশীদার তাঁর স্বামী সৌম্যজিত। যিনি বিয়ের পরেই অপ্সরার মধ্যে এই ট্যালেন্ট দেখতে পেয়ে তাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য উৎসাহিত করেন। বিয়ের পর অবশেষে নিজের স্বপ্নপূরণের সুযোগ পেয়ে আর হাতছাড়া করেননি তিনি।

 মডেলিংকে যারা পেশা হিসেবে নিতে চান তাদের জন্য অপ্সরার বার্তা - চেষ্টা থাকলে উন্নতির শিকড়ে পৌছানো যায়।  “ সহজ মনে হলেও এটা ততটাই কঠিন, সব প্রফেশনের মতো এতেও কঠিন পরিশ্রম করতে হয়। তাঁর সঙ্গে অদম্য ইচ্ছে এবং কাজের প্রতি প্যাশন থাকতে হবে। তবেই এই পেশায় এগোনো উচিত।”

Advertisement

আজকের সর্বশেষ খবর

সর্বাধিক জনপ্রিয়