ফোনে লিউকোপ্লাস্ট লাগিয়ে ২১ জুলাই শহীদ দিবস-এর মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সুরশ্রী রায় চৌধুরী: ২১ এর স্মরণ সভা থেকে হুঙ্কার দিলেন মমতা। ফোনের ক্যামেরাটাই তিনি লিউকোপ্লাস্ট লাগিয়ে  দিয়ে ফোনে আড়িপাতার প্রতিবাদে অভিনব ভাবে একুশের মঞ্চে অবতীর্ণ হলেন। গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ হচ্ছে। “মমতার কথায়, গণতন্ত্রের বদলে দেশে গোয়েন্দাগিরি চলছে। সকলের মুখ বন্ধ।” তৃণমূল নেত্রীর যুক্তি এটাই হাল আলের সবচেয়ে বড় স্ক্যান্ডেল।

আরো পড়ুন একুশে ‘ভার্চুয়াল বার্তা’ সায়নীর, কী বললেন তৃণমূলের যুব নেত্রী?

পেগাসাস কাণ্ডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না থাকলেও রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রশান্ত কিশোরের নাম। মমতা স্পষ্টই বললেন, তিনি তাঁদের সঙ্গে অহরহ যোগাযোগ রাখেন। কাজেই তিনিও একরকম ট্যাপড। মমতার কথায়,  “শরদ পাওয়ার, চিদম্বরম কাউকে ছাড়েনি। আমি পিকে, অভিষেক সাথে ভোটের আগে মিটিং করেছিলাম। তার অডিও নিয়ে নিয়েছিল।” আর এই কারণেই মমতার প্রতীকী প্রতিবাদ।

আরো পড়ুন জালে মদ তৈরি করে তিনি এখন জালে! দলীয় নেতাকে বহিষ্কার তৃণমূলের

তৃণমূল নেত্রী এদিন বলেন, “আমি কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে পারি না। কারণ ফোন ট্যাপ হচ্ছে। তাই ফোনই  প্লাস্টার করে দিয়েছি। তবে ভারত সরকারকে প্লাস্টার করতে দেবো না। ওরা থাকলে দেশ বরবাদ হয়ে যাবে। এমনকি নিজেদের মন্ত্রী অফিসারদেরও ফোন ট্যাপ  করে নিয়েছে। এমনকি বহু বিচারপতির ফোন ও ট্যাপ হয়েছে।  ওরা আমাদের গণতান্ত্রিক স্তম্ভটাকেই ধ্বংস করতে চাইছে। নির্বাচনী ব্যবস্থা বিচার ব্যবস্থা সংবাদ মাধ্যম সব কিছু ধ্বংস করতে চাইছে।”

Leave a Reply