“বিশ্বাসঘাতক”রা আবার তৃনমূলে !!

দেবাশীষ মাইতি:  বিধানসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপির ‘সোনার বাংলা’র স্বপ্নকে ধূলিসাৎ করে বাংলার মনসদে বসতে চলেছেন তৃনমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জী। আজ রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের কাছে পদত্যাগ পত্র জমা দেন। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন মমতা।

আরো পড়ুন: মুক্তি পেতে চলেছে রহস্য রোমাঞ্চে ভরা ছবি ‘বাজীগর’

আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবার কালীঘাটে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হওয়ার সময় সেখানে দলবদলু -দের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আসুক না। কে বারণ করেছে! এলে স্বাগত।”

ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর এখনও ২৪ ঘণ্টা কাটেনি। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে যাওয়া কেউ এখনও প্রকাশ্যে জোড়াফুলে ফিরে আসার ইচ্ছা প্রকাশও করেননি। তবে সেই ইচ্ছা যে কেউ মনে পোষণ করছেন না সেটা বলা যাচ্ছে না। এরই মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেকটাই মায়াদয়া দেখালেন সদ্য দল ছেড়ে যাওয়া “গদ্দার”দের প্রতি।

আরো পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা Mamata-র

প্রসঙ্গত, তৃণমূল ত্যাগীদের তালিকায় প্রথম নাম ছিল শুভেন্দু অধিকারীর। বিজেপিতে গিয়ে তিনি সাফল্য পেলেও, বাকি দলত্যগীদের অধিকাংশই ফিরেছেন শূন্যহাতে। যেমন নিজের কেন্দ্র ডোমজুর থেকে বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও সফল হননি প্রাক্তন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। ওয়াকিবহল মহলের মতে, তাঁর দলত্যাগকে ভালভাবে নেয়নি আমজনতা। একইভাবে জয়ের মুকুট পাওয়া তো দূর-অস্ত দ্বিতীয় স্থানও পাননি বৈশালী ডালমিয়া। একইভাবে পরাজিত হয়েছেন রুদ্রনীল ঘোষ, প্রবীর ঘোষাল, জিতেন্দ্র তিওয়ারি, শীলভদ্র দত্ত, মিহির গোস্বামী, বিশ্বজিৎ কুণ্ডু, রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, সব্যসাচী দত্ত-সহ একাধিক দলবদলু নেতা।

আরো পড়ুন: কোভিড-১৯ এর চিকিৎসা এখন বাড়িতেই সম্ভব !! জেনে নিন কোন ওষুধ রাখবেন হাতের কাছে

তবে এ নিয়ে ইতিমধ্যয়েই বিজেপি-র অন্দরে সংশয় শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতৃত্ব ভাবছে এবার কী আবার যারা এসেছিলেন তাঁদের ফেরার পালা? এই প্রসঙ্গে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “তৃণমূল ছেড়ে যাঁরা এসেছিলেন, তাঁরা অত্যাচারিত এবং অপমানিত হয়ে এসেছিলেন। মনে হয় না তাঁদের কেউ ফিরে যাবেন।” দিলীপ ঘোষের কথায় বোঝা যাচ্ছে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যারা এসেছেন তারা শেষ পর্যন্ত চলে যাবে কিনা সেটা নিয়ে তিনিও চিন্তায় আছেন।

Leave a Reply