“সর্বজিতের সাথে কাজ করা সার্থক হয়েছে” – ইমন চক্রবর্তীর সাথে সাক্ষাতকার

আজ সাথে আছি মন অ্যালবামের টাইটেল সং এর গায়ক, গায়িকার সাথে৷ আমার সাথে আছেন গানটির গায়ক, সুরকার সর্বজিত ঘোষ। রয়েছেন জাতীয় পুরষ্কার প্রাপ্ত, আমাদের সকলের প্রিয় গায়িকা ইমন চক্রবর্তী…ওনাদের কাছ থেকেই চলুন জেনে নিই ওনাদের অভিজ্ঞতার কথা, গানটির সম্পর্কে উপলব্ধি…

প্রশ্ন – আচ্ছা, সর্বজিতদা.. তুমি তো এই গানটা লিখেছ, সুর দিয়েছ। গানটার সম্পর্কে প্রথমেই তোমার কাছ থেকে কিছু জেনে নিতে চাইব।

সর্বজিত – দেখো, গানটার সুরের ক্রেডিট যে শুধু আমার তা একেবারেই বলব না, ছোটবেলার এক বন্ধুর কাছে এমনিই আমি এই সুরটা শুনতে পাই, অনেকদিন ধরে ইচ্ছে ছিল এই সুরটা নিয়ে কাজ করার, করেই ফেললাম অবশেষে.. আর সবচেয়ে বড় কথা, এই গানটা কিন্তু কোনোভাবেই পাশ্চাত্য সংগীতের মধ্যে পড়েনা, এটা ভীষনভাবে ভারতীয় সুরে, ভারতীয় বাদ্যযন্ত্রের সাথে মিলিত হয়ে একটা সুর ও শব্দের মেলবন্ধন এটা।

প্রশ্ন – আচ্ছা, ম্যাডাম, প্রথমেই জানতে চাইব. সর্বজিৎ ঘোষের সাথে কাজ করে আপনার অনুভূতি , বলা ভালো অভিজ্ঞতাটা ঠিক কেমন?

ইমন – একজন শিল্পী হিসেবে ভালো গান ভালো লিরিক্স সবসময়ই কাম্য , তাই সর্বজিতের সাথে কাজ করা সার্থক হয়েছেই বলবো…

প্রশ্ন- ম্যাম একটা গানের প্রোমোশনে সোশ্যাল মিডিয়ার ভূমিকা কতটা বলে মনে করেন?

ইমন – যখন যে মিডিয়া active থাকে তখন সেই মিডিয়াকে তো অস্বীকার করা যায়না , তাই সোশ্যাল মিডিয়ার ভূমিকা অনস্বীকার্য।

আরও পড়ুন কোভিড সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউয়ের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছল দিল্লি, দাবি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

প্রশ্ন – সর্বজিত দা, আমরা এই মন অ্যালবামে অনুপম রায়ের সাথে, রুপংকর বাগচীর সাথে, আকৃতি কক্কড়ের সাথে তোমার গলায় এতগুলো গান শুনতে পেরেছি। তবু একটা প্রশ্ন না করে পারলাম না.. এই গানটা তোমার মন এলবামের অন্য গানগুলোর তুলনায় কতটা কাছের, কতটা প্রিয়?

সর্বজিত – দেখো, এভাবে তো বলা যায়না, আমার কাছে আমার গানগুলো সন্তানসম। প্রতিটা সন্তান যেমন তার পিতার কাছে সমান, তেমনই আমার প্রতিটা সৃষ্টি আমার কাছে সমান৷

প্রশ্ন – এরপরের প্রশ্নের উত্তর ম্যাডামের কাছ থেকে জানতে চাইব৷ ম্যাম বাংলা গানের ক্ষেত্রে ভিডিও সং ভবিষ্যতে কতটা কার্যকর হবে বলে আপনি মনে করেন?

ইমন – আমার মনে হয় বর্তমানটাকেই বেশি করে আমাদের দেখতে হবে। এখন যখন ভিডিও সং খুবই ভালো কাজ দিচ্ছে , সেক্ষেত্রে আমার মনে করা না করাটা সম্পূর্ণ waste of time। তাই না?

প্রশ্ন – আজকের মত আমার শেষ প্রশ্ন এটা.. আমি জানি একটু অফটপিকে হয়ে যাচ্ছে প্রশ্নটা, তবু এই প্রশ্নটা না করে আর পারলাম না..! ” তুমি যাকে ভালোবাসো গানটা এককথায় ইতিহাস তৈরি করেছে৷ এটা একটা মাইলস্টোন৷ এই গানের পর আপনার জগৎটা ঠিক কতটা বদলেছে? ”

ইমন – basically same, কোনো সেরকম উল্লেখযোগ্য পার্থক্য নেই । বলা যেতে পারে এই গানটার পর আমার শ্রোতা বন্ধুদের কাছে যে acceptanceটা পেয়েছি আর যে সমস্ত পুরষ্কার গুলি পেয়েছি , তার জন্য আমি অনুপম দার কাছে খুবই কৃতজ্ঞ ।

সাক্ষাতকার এবং প্রতিবেদন — শান্তনু কর্মকার

আরও পড়ুন সোহম-শ্রাবন্তী ‘দুজনে’ মিলে হাজির ওয়েব দুনিয়ায়, শুরু হল শ্যুটিং

Spread the love

Leave a Reply

%d bloggers like this: