হাথরস গ্রামে প্রশাসনের বর্বরতা সামনে আসছে! কী গোপনের চেষ্টা? হাথরসের গ্রামে সংবাদমাধ্যমকে ঢুকতে দিচ্ছে না যোগী প্রশাসন!


ছবি সংগৃহীত

সুরশ্রী রায় চৌধুরী: ১৪৪ ধারা জারি করেই ক্ষান্ত থাকেনি প্রশাসন। পরিবারের সদস্যরা যাতে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে না পারে সেই চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছে। বাড়ির সদস্যদের আটকে রেখেছে বাড়িতে। পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে কোনওমতে গ্রামের সীমান্তে এসে এসব কথা জানাল এক নাবালক। ওই নাবালক জানিয়েছে, প্রশাসন পরিবারের সকলকে ফোন বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। কারও আবার ফোন কেড়ে ও নিয়েছে। ক্ষেত পেরিয়ে সে কোনও মতে গ্রামের প্রান্তে এসে সংবাদ মাধ্যমের কাছে মুখ খোলে। বলে, ‘‌ওরা ফোন কেড়ে নিয়েছে। আমার পরিবার আমাকে এখানে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার জন্য পাঠিয়েছে। আমি পালিয়ে ক্ষেতের মধ্যে দিয়ে এসেছি। ওরা আমাদের বেরোতে দিচ্ছে না। সংবাদ মাধ্যমকেও ঢুকতে দিচ্ছে না। ওরা আমাদের ভয় দেখাচ্ছে।’‌
ওই নাবালক কথা বলা সময় এক পুলিশ অফিসার সেখানে চলে আসে। তখনই ছেলেটি পালিয়ে যায়। এর পর সাংবাদিকরা পুলিশকে জিজ্ঞেস করেন, কেন নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশ অফিসার কোনও জবাব দেননি। এদিন টুইটারে যোগী সরকারের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে রাজ্য কংগ্রেস। হাথরসের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পি কে লাক্সকার নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে তাঁর বিবাদের কথা অস্বীকার করেছেন। দাবি করেছেন তিনি নিয়মিত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলছেন। আগের দিন পরিবারের ছ’‌ জন সদস্যের সঙ্গে কথা বলেন। কথা বলার সময় সমস্যা হয়নি। সবই অপপ্রচার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *