সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে ‘‌বাবা কা ধাবার সামনে গ্রাহক ছাড়াও বিজ্ঞাপন কোম্পানিগুলির ভিড় বাড়ছে

Read Time:2 Minute, 42 Second

সুরশ্রী রায় চৌধুরী: ‘‌বাবা কা ধাবা’–‌র মালিক বৃদ্ধ দম্পতি কান্তা প্রসাদ এবং বাদামি দেবীর ছোট্ট খাবার দোকানে গ্রাহক ছিল হাতে গোণা তবে এখন চিত্রটা অনেক বদলে গেছে। শনিবার সকালে দক্ষিণ দিল্লির মালব্য নগরের ওই ধাবায় পৌঁছে যান বেশ কিছু বড় বিজ্ঞাপন কোম্পানির কর্তারা, ওই ধাবার প্রচার এবং ধাবার সামনে বিজ্ঞাপন ব্যানারের জন্য। দোকানের সামনে বিজ্ঞাপনে মুড়ে গিয়েছে।

দোকানের উপচে পড়া গ্রাহক সামলাতে ৮০ বছরের কান্তা প্রসাদ এবং বাদামি দেবী একজন কর্মীকেও পেয়েছেন। কান্তা প্রসাদ বললেন, আগে সারা দিনে ৭৫০ গ্রাম ভাতও বিক্রি হত না তাঁর। অথচ বৃহস্পতিবার থেকে অর্ধ দিবসেই পাঁচ কেজি ভাত শেষ হয়ে যাচ্ছে।

গৌরব ভাসান নামে এক ব্যক্তি বুধবার কান্তা প্রসাদ এবং বাদামি দেবীর জীবনকাহিনী তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন।ভিডিওয় কাঁদতে কাঁদতে কান্তা প্রসাদকে বলতে শোনা যায়, ১৯৯০ সাল থেকে প্রতিদিন সকাল ৬.‌৩০ মিনিটে উঠে পরোটা, ডাল, দুতিন রকমের তরকারি এবং ভাত নিজেরাই বাড়িতে বানিয়ে সকাল ৯.‌৩০ নাগাদ ধাবা খোলেন। সকাল ৯.‌৩০ থেকে গত চার ঘণ্টায় মাত্র ৫০ টাকা রোজগার করতে পেরেছেন। সারা দিনে ৩০–৫০টি প্লেটের বেশি খাবার বিক্রি করতে পারেন না তাঁরা। দিনের শেষে যা আয় হয় তার অর্ধেকই আগামী দিনের খাদ্যসামগ্রী কিনতে বেরিয়ে যায়। দুই ছেলে এবং এক মেয়ে, কেউ তাঁদের দেখভাল করে না। গৌরবের ওই ভিডিও বুধবার রাতেই বসুন্ধরা তন্‌খা শর্মা নামে আরেক নেটিজেন পোস্ট করে সবাইকে ওই দম্পতির দোকানে খেয়ে তাঁদের সাহায্য করতে অনুরোধ করেছিলেন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কান্তা প্রসাদ এবং বাদামি দেবীর বাবা কা ধাবা জনপ্রিয় তার শীর্ষে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *